রিয়েল মি 9 প্র প্লাস বাংলাদেশের লঞ্চ হল,  এই ফোনটি এবং গত কয়েকদিন ধরে এটা আমার সেকেন্ডারি ডিভাইস হিসেবে আমি ইউজ করেছি ইউজ করার পর। এই ফোনে যে যে বিষয় গুলো আমার কাছে ভালো লেগেছে এবং সে বিষয়গুলো ভালো লাগেনি সেটা আপনাদের সামনে তুলে ধরব। বড় একটা চেইন টেস্টে কারণ গভমেন্ট থেকে 5 শতাংশ ভ্যাট যোগ করা হয়েছে সেইসাথে ডলার রেটে পরিবর্তন এসেছে সবকিছু মিলিয়ে প্রায় সবগুলো ব্র্যান্ডি তাদের ফোনের মডেলের প্রাইস কিন্তু বাড়িয়ে দিয়েছে।

রিয়েল মি বেলাই একই হয়েছে।  এই ফোনটা বাংলাদেশের লঞ্চ হয়েছে 39 হাজার 990 টাকায় 8 জিবি এবং 128 জিবি ভেরিয়েন্ট যদি এখন একটা ফ্ল্যাশ সেল চলছে দারাজে যেটাতে আপনারা 36 হাজার 790 টাকায় ফোনটা কিনতে পাবেন। সেই দুইটা ফোনে কতটা সাশ্রয়ী বলে আমাকে ফোনটা কেনা উচিত কি উচিত না সেগুলো নিয়ে আলোচনা করি। 

Realme 9 Pro+ Review - ভালো, মন্দ ও দাম নিয়ে ফুল রিভিউ



1st, আমি এই ফোনের বিল কোয়ালিটি এবং ডিজাইন নিয়ে যদি কথা বলি তাহলে এই জিনিসটা আমার কাছে ভালো লেগেছে এর প্রাইমারি.


অনেকদিন পরে এই Price Range যে একটা গ্লাসের ফোন রেখেছে এর পেছনের দিকে গ্লাস এই জিনিসটা অনেকেই পছন্দ করে আমার কাছে ভালো লেগেছে। যদিও ফিঙ্গারপ্রিন্ট ভালো রকমের পরে পেছনের দিকে ।


 এই ফোনটা দুইটা কালারে  পাওয়া যাবে


ওরা গ্রীন সানরাইজ ব্লু 

সানরাইজ ব্লু 


সানরাইজ ব্লু কালারটা আমার হাতে আছে এবং এখানে সুন্দর একটা লাইক শিফটিং ইফেক্ট আছে যে জিনিসটা দেখতে ভালো লাগে এবং লসি হওয়ার ফলে ফোনটা হাতে নিয়ে যেরকম প্রিমিয়াম লাগে সেটা দেখতে কিন্তু খুব সুন্দর লাগে। যদিও ব্যাক কভার ইউজ করবে না সৌন্দর্যটা বেশি দিন থাকবেনা ক্যামেরা হাউসতো মোটামুটি ঠিকঠাক আছে ভালোই লেগেছে 


এবং আরেকটা ভালো ব্যাপার হচ্ছে এই ফোন টা খুবই স্লিম 8 মিলিমিটার এর নিচে 7.99 মিলিমিটার হচ্ছে এটার থিকনেস ওজন হচ্ছে মাত্র 182 গ্রাম 4519 ব্যাটারি এবং 6.4 Inch Display ফোন  সম্পকে ভালো আইডি আপনার হয়েছে এটার ওয়েট দিস্ট্রিবিউশন খুবই ভালো এবং আমি সব সময় বলি যে 6.4 inch সাইজটা অনেক সুইট একটা সাইজ স্মল হাতের জন্য একটা মানে ব্লেসিং টাইপ এর ব্যাপার আমার কাছে ফোনটা PerFect মনে হয়।


আপনাদের কি মনে হয় একটু কমেন্ট করে জানিয়ে দেন ছবির কোয়ালিটি ডিজাইন এই বিষয়গুলো নিয়ে আমার কোন সমস্যা নেই একদম ফার্স্ট ক্লাস একটা রাইটিং দিয়ছি। 



এই ফোনটার নিচের দিকে কিন্তু 35 মিলিমিটার অডিও জ্যাগ  দেওয়া হয়েছে। যেটা হাইরস অডিও সার্টিফাইড মাইক্রোফোন আছে ইউএসবি টাইপ সি পোর্ট ইউজ করা হয়েছে নিচের দিকে যেটাতে ডলবি সাউন্ড ব্যাবহার করা হয়েছে। 


স্পিকারের মোটামুটি লও কোয়ালিটি সহ বেশ ভালো উপরের দিকে মাইক্রোফোন আছে ডান পাশে আছে পাওয়ার বাটন যেটা বেশ ক্লিয়ার বামপাশে ভলিওম বাটনগুলো আছে। এবং ডুয়েল সিম কার্ড সলোট আছে যেখানে আপনার দুইটা ন্যানো সিম কার্ড ইউজ করতে পারবেন। ডেডিকেটেড স্টোরেজঃ এক্সপানশন এর কোন স্পেস থাকছে না


একটা ভালো ব্যাপার হচ্ছে এই ডিসপ্লে তে কর্নিং গরিল্লা গ্লাস প্রটেকশন আছে। একটা জিনিস আমার কাছে ভালো লাগে নি সেটা হচ্ছে নিচের দিকে বেশ বড় আমার মনে আর একটু ছোট করলে দেখতে আরেকটা বেশি সুন্দর লাগত।


99 হাজার 40 হাজার টাকা আমার কাছে কম মনে হচ্ছে কারণ এতে যে প্রসেসর আছে সেটাও 120 hhz সাপোর্ট করে। আমার মনে হয় 128 hhz দিলে আরেকটু স্মুদার এক্সপেরিয়েন্স পাওয়া যেত এখন কিন্তু 120 hhz এর  এক্সপেরিয়েন্স পাওয়া যাচ্ছে না। 


এখানে আরেকটা ভাল দিক আছে সেটা হচ্ছে ব্যাটারি ব্যাকআপ 4500 ইমেজ ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে সেই বিবেচনায় আমার মনে হয় একটু ব্যাটারি দিক থেকে এফিসিয়েন্ট হবে বাস স্ট্যান্ড প্রাইস বিবেচনায় এটাতেও 120 hhz প্রেসার দেওয়াটা একদম জরুরি ছিল। 


এর বাইরে ডিসপ্লে কালার গুলো বেশি হওয়ার কারণে খুবই গুড লুকিং কালারের প্রবেশ করতে পারছিল ।এটাতে ওয়াটার লেভেল সার্টিফিকেশন আছে সহজে কোন ধরনের কনটেন্ট এক্সপেরিয়েন্স স্পেলিং অফ কারণেই তার ক্যামেরা কিন্তু খুব ছোট.


আর হার্ডয়ার সেকশনে ব্যবহার করা হয়েছে সিটি নাইন হান্ড্রেড এর একটা আপডেটেড ভেরিয়েন্ট এবং এটাতে Cpu ব্যবহার করা হয়েছে। যে গেমিং পারফরমেন্সে ইমপ্রুভমেন্ট আসবে আর নয় শতাংশ 1% পারফরম্যান্স ইমপ্রুভমেন্ট আসবে। স্পেশালিটি ক্যামেরা ক্যামেরা ইউ এর কথা বলি বা ছবি তোলার এক্সপেরিয়েন্সের কথা বলি আমার মনটা ছিল না বাট এটা তো আরো ফাস্টার হয়েছে।  প্রথমত আমি নাইট মোড এক্টিভেট খেয়াল করেছি ছবি তুলে কিন্তু নাইট মোড প্রসেসিং অনেক টাইম লাগে অন্য ফোনে।  ছবিটা খুব তাড়াতাড়ি তুলে ফেলেছিল কিন্তু পরবর্তীতে আবার একটু প্রসেস করতে টাইম নিয়েছিল এবং ক্যামেরা.



সেটা তো আমি তেমন কোন লেখ করে নি খুব রেস্পন্সিভ ছিল পঞ্চমী আসলে কাজ করছিল যে ছাড়া ডেইলি লাইফ এ কাজগুলো করেছে।  এটার 8 জিবি র্যাম কিন্তু ভালো সাপোর্ট দিয়েছিল স্পেশালি মাল্টিটাস্কিং আমি তেমন কোন প্রবলেম ফেস করিনি। অ্যাপ ওপেনিং ক্লোজিং সেই সাথে আমি তেমন কোন লেখ কিংবা স্টাটার খেয়াল করিনি। এর একটা কারণ হচ্ছে অ্যান্ড্রয়েড টুয়েলভ এর উপরে আমি আগেও বলেছি কিন্তু এখন অনেক ম্যাচিউরড এবং আগের চাইতে অনেক বেশি অ্যাডভান্স হচ্ছে যার ফলে আমরা কিন্তু পারফরম্যান্স ইমপ্রুভমেন্ট তো দেখতে পাচ্ছি।


ভালো লেগেছে আপনি একদম দুইটা কমপ্লিট ডিফারেন্ট ফোন ইউজ করতে পারবেন তার ফিংগার প্রিন্ট দিবেন একদাম 2 Users ফোন ইউজ করতে পারবে।  এই ফিচারটা আমার কাছে ভালো লেগেছে রে নিজের দেহের বাইরে এটা রিভিউ নিয়ে আমি ফুললি হ্যাপি কারণ তেমন মেজর কোন ব্লগ তৈরির সুরফেইস করে নিয়ে অ্যাডভার্টাইজমেন্ট এস খুব একটা বেশি ছিল না বিষয়টা আসলে আগের চাইতে ভাল হচ্ছে।

গেমস

কথা বললে আমি এটাতে দুইটা গেম খেলেছি গেমস গেঞ্জি ইম্প্যাক্ট এবং পাবজি। পাবজি এটাতে কি রি কমেন্ট করে এইচডি গ্রাফিক্স এবং হাই ফ্রেম রেট কিন্তু আমি নিয়েছিলাম এইচডিআর হচ্ছে গ্রাফিক্স এবং আলট্র  ফ্রেম দিয়ে আমি খেলেছি এবং আমার সেটিং এ আমি মোটামুটি ভালোই একশন মমেন্টগুলোতে একটু লেগ পাছিলাম এবং ফ্রেম পড়ছিল যদিও রিকমেন্ডেড সেটিং আরেকটি সহজ পাওয়া যায়। 


তবে রিকমেন্ডেড থাকবে গ্রাফিক্স একটু কমিয়ে লাইক যদি আপনারা ব্যালেন্স গ্রাফিক্স দেন এবং আলট্র  ফ্রেম রেট দেন তাহলে আর একটু ব্যাটা রেজাল্ট পাবেন।  আর গেঞ্জি ইম্প্যাক্ট ফটোগ্রাফিক সাজেস্ট করে বাট আমি মিডিয়ামে নিয়ে গিয়েছিলাম মিডিয়ামে বেশ ভালোই গরম হচ্ছিল ফোনটি। বাট আমি খুব একটা লেক দেখিনি মাঝেমধ্যে  একশন মমেন্টগুলোতে 1,২ মিনিটে একটু এক জায়গাতে লেক ছিল। 


বাট এই ফোনটার একটা ভালো দিক হচ্ছে এটা আমার হিটটা ভাল ভাবে কন্ট্রোল করতে পারছে। ওভারহিট হচ্ছিলোনা হিট হচ্ছিল বাড়ছে এটা খুব একটা এক্সেসিভ না। তাদের কুলিং চেম্বার আছে সেটা মনে হয় প্রসেসর টাকে খুব ভালোভাবে কুল রাখতে পারছিল।  এই জিনিসটা একটা পজিটিভ দিক.



ক্যামেরা 

টোটাল তিনটা ক্যামেরা আছে ফ্রম রেট হচ্ছে ৬০ মেগাপিক্সেল এর 2ndটা হচ্ছে একটা এইট 8 মেগাপিক্সেল এর আল্ট্রা ক্যামেরা 3d,হচ্ছে 2 মেগাপিক্সেলের আরেকটি ম্যাক্রো লেন্স 

 

প্রাইমেরি ক্যামেরা SonyIMX766 ব্যাবহার করা হয়েছে। এবং এটাতে OIS দেওয়া হয়েছে তা ভিডিও সেকশনে আমরা বলব প্রাইমেরি ক্যামেরা ছবির কোয়ালিটি আমার কাছে সোফার ভালো লেগেছে শুধু কালার গুলো একটু একটু বেশি খারাপ মনে হচ্ছিল। বাট অনেকেই জিনিসটা পছন্দ করে নো প্রবলেম গুণ ডিটেল এবং সাব নেছ রিঃটেন করতে পারছিল সেইসাথে ছবিতে ডায়নামিক রেনজের পারফরম্যান্স করতে পারছিল। 


একদমই সূর্যের পেছনে রেখে ছবি তুলেছে তারপরও ছবিগুলো দেখতে খুব ভালো লাগছিল প্রোটেক মোডে গেলে এবং ব্যাকগ্রাউনড বোকেট  আছে একটা ক্লিয়ার ট্রানজেকশন আছে। যে জিনিসটা দেখতে ভালো লেগেছে প্রোটেক নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। আর যদিও ক্লিম করা হচ্ছে এই ফোনটা থেকে দুর্দান্ত নাইট ফটোগ্রাফি পাওয়া যাবে দুর্দান্ত না হলেও মোটামুটি ভালই লেগেছে।  আমার কাছে ছবিগুলোতে একটু কালার গুলো কে একটু বেশি আপলিফ করা হয় যে জিনিসটা ভালো লেগেছে। নাইট ছবি তোলেন তাহলে খুব একটা নয়েস থাকে না এবং মোটামুটি লাইটে ছবি তুললে ভালো মানের কোয়ালিটি আপনারা পাবেন.


8 মেগাপিক্সেল এর সো ডিটেলে ঘাটতি পাওয়া যায় যদি প্রাইমেরি ক্যামেরা  সাথে কম্পেয়ার করেন তবে কালার গুলো আমার কাছে প্রাইমারি ক্যামেরা চাইতে আল্ট্রা ওয়াইড আরো আরো বেশি সেক্রেটেট মনে হয়েছে। এটা মনে হয় তারা ইচ্ছে করেই করেছে যদিও খুব একটা কালার অফ হয় না লাইক ডিফারেন্ট কালার অনেক সময় আছে একটু ল ফোনের মধ্যে হয় এমন কালার প্রবেশ করে। না দেখতে good-looking এবং বেশ কয়েকটি ছবি তোলা যায় আমার কাছে ভালো লেগেছে আল্ট্রা ওয়াইড টা। ভালো লাগেনি ম্যাক্রো লেন্স এটা দেওয়ার খুব একটা দরকার ছিল না। 


এই ফোনের সামনে সিক্সটিন মেগা পিক্সাল একটি সেলফি ক্যামেরা আছে. গুড লুকিং ছবি তোলা যায় স্পেশালি যদি আমরা ডে লাইটে শূট করি তাহলে ছবিগুলো দেখতে সুন্দর লাগে। কালারগুলো মোটামুটি ভালো ডে লাইটে রেটিং করতে পারে। যদিও লো লাইটে আশা সরুপ রেজাল্ট দিতে পারি নি। ভিডিওতে এটাতে 1080 অপশন আছে 1080 আপনারা 30 FPS শুট করতে পারবেন। 


যদিও স্ট্যাবিলাইজেশন নাই আমার মনের স্ট্যাবিলাইজেশন টা দিলে ব্লগিং এর জন্য আরেকটু বেশি সুবিধা হতো এছাড়া এই ফোনটা তে ব্লুটুথ 5.2 আছে ওয়াইফাই নিয়ে কোনো প্রবলেম ফেস করিনি সেলুলার নেটওয়ার্ক রিসেপশন নিয়ে কোন সমস্যা ছিল না এবং এই ফোনটা যে ইন ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার আছে